পারকিনসন্স ডিজিটের এমন একটি স্নায়ুতন্ত্রের ক্রমবর্ধমান ব্যাধী,যা শরীরের স্বাভাবিক নড়াচড়া করার ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একহাতে সামান্য কাপুনির সৃষ্টির মধ্য দিয়ে এ ব্যাধির সূত্রপাত ঘটে। তবে কাঁপুনি পারকিনসন্স রোগের প্রধান লক্ষন হলেও  এ কারণে শরীরে অনমনীয়তা  দেখা দেয় এবং শরীরে স্বাভাবিক নড়াচড়া  ধীর হয়ে যায়।এ রোগের প্রাথমিক  পর্যায়গুলোয় আক্রান্তই ব্যাক্তির মুখমন্ডলে অভিব্যক্তি কম প্রকাশ পায় বা একেবারেই প্রকাশ পায় না।হাটার সময় আক্রান্ত ব্যক্তির হাত ঠিকমত দোলে না। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তি র কথা আটকে যেতে পারে। রোগর মাত্রা  বেড়ে গেলে  লক্ষণগুলোও তীব্র হতে থাকে। পারকিনসন্স রোগের নিদিষ্ট কোনো চিকিৎসা না থাকলেও কিছু পদ্ধতির মাধ্যমে লক্ষণগুলো প্রশমিত করা যায়।কিছু ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিষ্কের  কিছু অংশ নিয়ন্ত্রণ  করে লক্ষণগুলো প্রশমিত করার জন্য  সার্জারি করারও প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এ রোগের চিকিৎসায় বেশি জুরুরি হলো,রোগীর মাংসপেশির কার্যক্ষমতা ঠিক রাখা এবং অস্থিসন্ধিগুলো যাতে শক্ত না হয়।সে জন্য  প্রয়োজন সঠিক ফিজিওথেরাপি চিকবৎসা।মস্তিষ্কের ডোপামিন লেভেল
ঠিক রাখতে প্রয়োজন হয় কিছু ঔষুধের। এ জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়া সবচেয়ে ভালো। 

লেখকঃ 
চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট 
ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।
০১৭১৭০৮৪২০২